প্রকাশিত: Mon, Feb 6, 2023 10:42 AM
আপডেট: Thu, Oct 22, 2026 5:40 AM

আধুনিক বাংলাসাহিত্যের প্রখ্যাত লেখক নারায়ণ সান্যালের প্রয়াণ দিবস

আশিক নূরী : [১] নারায়ণ সান্যাল ছিলেন আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত লেখক। এছাড়াও তিনি একজন পুর প্রকৌশলী। নিত্যনতুন বিষয়বস্তু নির্বাচন ছিল তাঁর রচনাশৈলীর এক বৈশিষ্ট্য। [২] নারায়ণ সান্যালের আদি নিবাস নদীয়া জেলার কৃষ্ণনগরে। কৃষ্ণনগরে জন্ম হলেও তিনি কলকাতায় শিক্ষাজীবন সম্পন্ন করেন। ম্যাট্রিক পাশ করেন আসানসোল ই. আই. আর. বিদ্যালয় থেকে। স্কুলের খাতায় নাম ছিল নারায়ণদাস সান্যাল। তিনি ১৯৪৮ সালে শিবপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ থেকে বি.ই. সম্পন্ন করেন। [৩] নারায়ণ সান্যালের সাহিত্যজগতে তাঁর ‘বকুলতলা পি এল ক্যাম্প’ ও ‘দন্ডক শবরী’ গ্রন্থের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। পি.ডব্লু.ডি তে চাকরি করাকালীন দণ্ডকারণ্য অঞ্চলে তাঁর পোস্টিং হয়। অরণ্য জীবনের অভিজ্ঞতায় তিনি এই দুটি উপন্যাস লেখেন যা পাঠকমহলে সমাদৃত হয়। 

এছাড়া বিজ্ঞান, শিল্প স্থাপত্য ভাস্কর্য ও সামাজিক, ঐতিহাসিক উপন্যাস প্রচুর লিখেছেন। শিশু কিশোরদের জন্যেও তাঁর রচনা সুখপাঠ্য। তাঁর অন্যান্য রচনাগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য রচনা হলো- ‘বিশ্বাসঘাতক’, ‘ষাট একষট্টি’, ‘হে হংসবলাকা’, ‘নক্ষত্রলোকের দেবতাত্মা’, ‘আবার যদি ইচ্ছা করো’ ও ‘অশ্লীলতার দায়ে’ ইত্যাদি। তাঁর রচিত কাহিনী নাগচম্পা (যদি জানতেম), সত্যকাম, পাষণ্ড পণ্ডিত চলচ্চিত্রায়িত হয়েছে। [৪] তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছেÑ ‘আবার যদি ইচ্ছা করো’, ‘আবার সে এসেছে ফিরিয়া’, ‘অবিস্মরণীয়া’, ‘অচ্ছেদ্য বন্ধন’, ‘অগ্নিকন্যা মমতা’, ‘অজন্তা অপরূপা’, ‘আজি হতে শতবর্ষ পরে’,‘অলকানন্দা’, ‘আমি নেতাজিকে দেখেছি’, ‘আমি রাসবিহারীকে দেখেছি’ ও ‘বাঙালিয়ানা’। নারায়ণ সান্যাল ‘রবীন্দ্র পুরস্কার’ অজন্তা অপরূপা-১৯৬৯, ‘বঙ্কিম পুরস্কার’ রূপমঞ্জরী-২০০০ সালে অর্জন করেন। তিনি ৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৫ সালে মারা যান।